সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল
নতুনপাড়ায় নির্মম হত্যাকান্ড

ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে

  • আপলোড সময় : ০৮-০৫-২০২৫ ০১:০০:৩০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৫-২০২৫ ০১:০০:৩০ পূর্বাহ্ন
ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের নতুনপাড়ায় মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে মো. আল-মুবিন (৫৫) নামের এক প্রতিবেশী খুন হয়েছেন - এটা শুধু একটি অপরাধের খবর নয়, বরং আমাদের সমাজের মূল্যবোধের চূড়ান্ত অবক্ষয়ের প্রতিচ্ছবি। আল-মুবিন একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি হৃদয় বণিককে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মাতলামি করতে দেখে বাধা দেন, যা ছিলো ন্যায্য, দায়িত্বশীল এবং সামাজিকভাবে প্রশংসনীয়। অথচ তার এই প্রতিবাদই তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এই হত্যাকা- প্রমাণ করে, আজ প্রতিবাদ করা মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে গেছে - কারণ সমাজের একাংশ হয়ে উঠেছে সহিংস, বেপরোয়া এবং আইন-শৃঙ্খলা বর্জিত। ঘাতক হৃদয় বণিকের বিরুদ্ধে আগেই স্থানীয়দের অসন্তোষ ছিল- প্রতিদিনের মাদকসেবন, গালিগালাজ, নির্মাণাধীন ভবনে আসর বসানো, সবই জানতো এলাকাবাসী। তবু কেন তার বিরুদ্ধে আগে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি? প্রশাসন এবং সমাজ উভয়ের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই ঘটনা কয়েকটি প্রশ্ন সামনে আনে: ১. মাদকাসক্ত এক ব্যক্তি দিনের পর দিন কিভাবে এলাকায় এমন নির্লজ্জ আচরণ করতে পারে? ২. পরিবার, সমাজ এবং প্রশাসন - তিনটি স্তরের প্রতিরোধ কোথায় ছিল? ৩. একজন প্রতিবাদী নাগরিককে রক্ষা করতে না পারলে কীভাবে আমরা সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো? পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানে ঘাতককে আটকের ঘটনা অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে এই মামলায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে মাদকবিরোধী অভিযানকে শুধু কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেও কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি সমাজে যে রকম সহিংসতার বীজ বপন হচ্ছে - তা প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা এবং পারিবারিক বন্ধন জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স